নিজস্ব প্রতিবেদক:
পৌরসভার সাংগঠনিক কাঠামো অনুসারে ৬টি পদে (সুইপার, সুইপার সুপারভাউজার, কেয়ারটেকার, মৌলভী, পুরহিত ও ডোম) ছাড়া কোন কর্মী নিয়োগ দিতে পারবেন না বলে ০৬ আগস্ট-২০২১সালে একটি প্রঞ্জাপন জারি করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। উপসচিব মোহাম্মদ ফারুক হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে পৌরসভায় বিধি বহির্ভুতভাবে চুক্তিভিত্তিক/আউটসোর্সসিং/মাস্টাররোল কর্মচারী নিয়োগ বন্ধকরণ বিষয় উল্লেখ করে চিঠিটি দেওয়া হয়। কিন্তু পৌরসভার অভ্যান্তরে কেশবপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র রফিকুল ইসলামের সাইড ইঞ্জিনিয়ার রবিউল ইসলাম প্রতিমাসে বিশ হাজার টাকা, ব্যক্তিগত ড্রাইভারের জাহিদুল ইসলাম প্রতিমাসে বারহাজার টাকা, সাখাওয়াত প্রতিমাসে দশহাজার টাকা, তানিয়া খাতুন প্রতিমাসে দশহাজার টাকা বেতনের নামে উত্তোলন করা হয়েছে, রবিউল তানিয়াদের মত আরো অনেকেই পৌরসভার অভ্যন্তরে স্থানীয় সরকার বিভিাগ বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে প্রতিমাসে লক্ষাধিক টাকা উত্তোলন করছে। ০৫ আগস্টের পর মেয়রের সাথে সাথে রবিউল ও জাহিদকে পৌরসভায় দেখা না গেলেও অন্যরা সেই আগের মত কাজ করতে দেখা যাচ্ছে।পরবর্তীতে তানিয়া খাতুন চাকুরী পেয়ে অন্যত্র চলে গেছে। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা জানান চুপ থাকেন। রবিউল ইসলাম সম্পর্কে জানতে চাইলে কেশবপুর পৌরসভার একাধিক সূত্রে যানাযায় সে সাবেক মেয়র রফিকুল ইসলামের ব্যক্তিগত কর্মকতা হিসাবে কাজ করতেন। তবে অফিসে যার প্রভাব ছিল দেখার মত। মেয়র সাথে ছবিতুলতেন তিনি। নিজেকে কখনো প্রজেক্ট এর লোক বা ঠিকাদার, কখনো পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার, কখনো মেয়রের আলম, তরিকুল, অপুর, লিটনের পাটনার বলে দাবি করতেন। সাখাওয়াতকে দেখা মিলতো ঈদেও নামাজে মেয়রের সাথে সাথে। অফিস সূত্রে জানাগেছে ৫আগস্টের পরে কেশবপুর ঈদগাহ থেকে প্রায় ৫০হাজার টাকার গাছের ভাইরাস বিক্রয় করতে দেখা গেছে। কিন্তু এসব ভাইরাস বিক্রয়ের টাকা আগে কখনো দেখা যায় নি। সাখাওয়াত এবং মেয়রের বাহিনী বেশ কয়েক বার এসব ভাইরাস বিক্রয় করত বলে জানা গেছে। এবিষয়ে সাখাওয়াত বলেন আমি কবস্থানের কেয়ার টেকার। ও গুলো জামাল তাহেরা বিক্রয় করে নিত।