• মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫০ অপরাহ্ন
Headline
কেশবপুরে রমজানের আগে পণ্যের দাম স্থিতিশীল, সংকট কাটেনি ভোজ্যতেলে পলিথিনের ছাউনিতে জীবন: কেশবপুরে অসহায় জালাল উদ্দীনের করুণ বাস্তবতা কেশবপুরে পরচাক্রায় ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত কেশবপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত মণিরামপুরে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অপরাধে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় কেশবপুরে বিএনপির ত্রিমোহিনী ইউনিয়নে নির্বাচনী জনসভা কেশবপুরে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত এর জন্মবার্ষিকী উদযাপন কেশবপুর আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক কেশবপুরের কামরুজ্জামান যশোরের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার দুদকের হাতে আটক

কেশবপুরে রমজানের আগে পণ্যের দাম স্থিতিশীল, সংকট কাটেনি ভোজ্যতেলে

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

রায়হান রনি, কেশবপুর (যশোর):
দুয়ারে কড়া নাড়ছে পবিত্র রমজান। প্রতি বছরের মতো এবারও ছোলা, ডাল, চিনি, মুড়ি ও খেজুরের চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে। তবে রমজান ঘিরে কেশবপুরের বাজারে অধিকাংশ ভোগ্যপণ্যের দাম এখনো স্থিতিশীল রয়েছে। শুধু সয়াবিন তেলের বাজারে রয়েছে সরবরাহ সংকট ও দামের অস্থিরতা।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে কেশবপুর উপজেলার বড় কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতকাল শেষের পথে থাকায় কয়েকটি সবজির সরবরাহ কমেছে এবং কিছু পণ্যের দাম সামান্য বেড়েছে। ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৩০-৩৫ টাকা, শীম ২০-৩০ টাকা, টমেটো ২৫-৩০ টাকা, বেগুন ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচ ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

রমজানের প্রয়োজনীয় পণ্য ছোলা ৮০-৯০ টাকা, খেসারির ডাল ১১০-১২০ টাকা, মসুর ডাল ৯০-১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চিনি কমে ৯৫-১০০ টাকায় নেমেছে। পেঁয়াজের ভরা মৌসুম থাকায় কেজি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মুড়ি ৯০-১০০ টাকা এবং খেজুর মানভেদে ২৫০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে বাজারে সয়াবিন তেলের সংকট এখনো কাটেনি। অনেক দোকানে তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও ১৮০ টাকার তেল ২০০ টাকায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
বড় কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল হাকিম জানান, বর্তমানে বাজার স্বাভাবিক থাকলেও রমজান ঘনিয়ে এলে কিছু পণ্যের দাম বাড়তে পারে। অন্য ব্যবসায়ী সুলতান আহমেদ বলেন, পাইকারি বাজারে দাম কম থাকলে খুচরাতেও কম রাখা সম্ভব।

সার্বিকভাবে সয়াবিন তেল ছাড়া অন্যান্য পণ্যের বাজার আপাতত স্থিতিশীল থাকলেও রমজান সামনে রেখে দামের ঊর্ধ্বগতির শঙ্কা রয়েছে বলে মনে করেন অনেক ব্যবসায়ীরা।

তবে সাধারণ মানুষের একটাই দাবি প্রশাসনের নজরদারি থাকলে অসাধু ব্যবসায়ীরা কোনো রকমভাবে বাড়তী দামে রমজান মাসে ব্যবসায়ীরা নিতে পারবে না। এ বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারির দাবি জানান তাঁরা।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category