রায়হান রনি, কেশবপুর (যশোর):
দুয়ারে কড়া নাড়ছে পবিত্র রমজান। প্রতি বছরের মতো এবারও ছোলা, ডাল, চিনি, মুড়ি ও খেজুরের চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে। তবে রমজান ঘিরে কেশবপুরের বাজারে অধিকাংশ ভোগ্যপণ্যের দাম এখনো স্থিতিশীল রয়েছে। শুধু সয়াবিন তেলের বাজারে রয়েছে সরবরাহ সংকট ও দামের অস্থিরতা।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে কেশবপুর উপজেলার বড় কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতকাল শেষের পথে থাকায় কয়েকটি সবজির সরবরাহ কমেছে এবং কিছু পণ্যের দাম সামান্য বেড়েছে। ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৩০-৩৫ টাকা, শীম ২০-৩০ টাকা, টমেটো ২৫-৩০ টাকা, বেগুন ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচ ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
রমজানের প্রয়োজনীয় পণ্য ছোলা ৮০-৯০ টাকা, খেসারির ডাল ১১০-১২০ টাকা, মসুর ডাল ৯০-১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চিনি কমে ৯৫-১০০ টাকায় নেমেছে। পেঁয়াজের ভরা মৌসুম থাকায় কেজি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মুড়ি ৯০-১০০ টাকা এবং খেজুর মানভেদে ২৫০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তবে বাজারে সয়াবিন তেলের সংকট এখনো কাটেনি। অনেক দোকানে তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও ১৮০ টাকার তেল ২০০ টাকায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
বড় কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল হাকিম জানান, বর্তমানে বাজার স্বাভাবিক থাকলেও রমজান ঘনিয়ে এলে কিছু পণ্যের দাম বাড়তে পারে। অন্য ব্যবসায়ী সুলতান আহমেদ বলেন, পাইকারি বাজারে দাম কম থাকলে খুচরাতেও কম রাখা সম্ভব।
সার্বিকভাবে সয়াবিন তেল ছাড়া অন্যান্য পণ্যের বাজার আপাতত স্থিতিশীল থাকলেও রমজান সামনে রেখে দামের ঊর্ধ্বগতির শঙ্কা রয়েছে বলে মনে করেন অনেক ব্যবসায়ীরা।
তবে সাধারণ মানুষের একটাই দাবি প্রশাসনের নজরদারি থাকলে অসাধু ব্যবসায়ীরা কোনো রকমভাবে বাড়তী দামে রমজান মাসে ব্যবসায়ীরা নিতে পারবে না। এ বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারির দাবি জানান তাঁরা।