নিজস্ব প্রতিবেদক:
কেশবপুর পৌরসভার নতুন নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল ফজল মোঃ এনামুল হক। উপসচিব কবির উদ্দীন এর স্বাক্ষরিত ১০মার্চ-২০১৫ তারিখের একটি নোটিশে ২৩-0৩-২৫ তারিখের মধ্যে যোগদানের কথা বলা হয়।এর আগে তিনি কোটচাঁদপুর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে কাজ করতেন। পৌর কর্মচারীদের অভিযোগ এনামুল হক গত দুই যুগ ধরে একই স্থানে চাকরি করছেন। সেই সুযোগে তিনি বিগত মেয়রদের সাথে আতাত করে পৌরসভার মোটা অংকের টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছেন। যার ফলে কর্মচারীদের ৩৫-৪০ মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। এ ঘটনায় পৌর কর্মচারীরা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মেয়রদের উপর ক্ষুব্ধ। যার কারনে তিনি কর্ম স্থানে যোগদান করতে পারেনি।
২০১৮সালে কোটচাঁদপুর পৌরসভার সচিব আবুল ফজল মো. এনামুল হক মিঠুকে অনৈতিক কাজের সময় যশোরে ৩ নারীসহ আটক করেছে পুলিশ। ঐ সময়ে যশোর শহরের খালদার রোডের একটি বাসা থেকে যশোর কোতয়ালী থানা পুলিশ তাকে আটক করে। পৌর সচিব এনামুল হক বাড়ি যশোরের চৌগাছা উপজেলার নারায়নপুর গ্রামে। সে চৌগাছা উপজেলার বিশিষ্ট আ.লীগ নেতা এ্যাডঃ আহসানুল হক আহসানের ভাই। তারে বিরুদ্ধে স্বীয় পদ ব্যবহার করে অবৈধ্য সম্পদ গড়ে তোলা, বিলাস বহুল বাড়ী, প্রিমো গাড়ী ও লাগামহীন দূর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও যশোর শহরের কাজীপাড়া এলাকায় একটি বাসা থেকে একই কাজের জন্য সচিব মিঠু ধরা পড়েছিলো। তখন মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে দফারফা করে সে যাত্রায় রক্ষা পান। অন্যদিকে সচিব মিঠুর বিরুদ্ধে ভুয়া ডিগ্রী পাসের সার্টিফিকেট ব্যবহার করে অবাধে চাকুরী চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সেই সাথে অনিয়ম ও দূর্নীতি করে একই স্থানে দীর্ঘ ১৩-১৪ বছর বহাল তবিয়তে রয়েছেন। সরকারী একজন কর্মকর্তা হলেও তিনি সরকারের কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা করেন না।
এব্যাপারে এনামুল হকের মুঠোফোনে (01713884061) নম্বরে যোগাযোগ করলে । তিনি মুঠোফোন রিসিভ করেন নাই।